Seo tips

ওয়েবসাইট এর জন্য এসইও (SEO) কি? অফ পেজ এবং অন পেজ এসইও (SEO) কাকে বলে

আসসালামু আলাইকুম

কেমন আছেন সবাই আশাকরি ভালো আছেন ইনশাআল্লাহ আমিও ভালো রয়েছে তাই আজকে নতুন একটি পোষ্ট নিয়ে আপনাদের মাজে হাজির হলাম আমার আজকের পোস্টি খুবই গুরুর্তপুর্ন একটি পোষ্ট আশাকরি যারা নতুন ব্লগিন শুরো করেছেন তারা উপকৃত হবেন আজকের টপিক হচ্ছে ওয়েবসাইট এসইও (SEO) কি? এবং ওয়েবসাইটের জন্য এসইও (SEO) করা কেনো জরুলি? আশাকরি পুরো পোষ্টি পরলে আপনি মোটামোটি ভালো একটি ধারোনা পাবেন এটার সম্পরকে তাহলে চলুন কথা না বাড়িয়ে কাজ শুরু করা যাক

এসইও (SEO) কি?

অনেকে হয়তো এই নামটি শুনেছেন এটির অর্থ হচ্ছে সার্চ ইন্জিন অপটোমাইজ করা আমরা বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইট খুলে থাকি এবং সেই ওয়েবসাইট গুলোতে আর্টিকেল লিখে দেই যাতে ভিসিটর আসে আপনি যদি এসইও না করেন তাহলে আপনার ওয়েবসাইটে গুগল থেকে ডিজিটর পাবেন না

বিশ্বের মধ্যে অন্যতম একটি সার্চ ইন্জিন হচ্ছে গুগল এখানে প্রতিদিন কোটি কোটি মানুষ তার প্রয়োজনিয়ো জিনিস খুজে থাকে উদাহারন আপনি আপনার সাইটে পোস্ট করলেন ( খুব সহজেই কিভাবে আপনি সরকারি চাকরি পাবেন ) এই ধরনের একটি আর্টিকেল আপনার ওয়েবসাইটে পাবলিস করলেন! যদি আপনার সাইটে গুগল ইন্ডিক্স এবং ভালো ভাবে এসইও করা থাকে তাহলে শুধু মাত্র ১টি কেওয়ার্ডে লিখে সার্চ দিলে আপনার ওয়েবসাইট টি দেখা যাবে এবং সেই লোকটি আপনার সাইটে গিয়ে বিস্তারিত ভাবে পরবে

যদি আপনার সাইট টি গুগলে ইন্ডিক্স না থাকে তাহলে আপনি কোনো ভাবেই গুগল থেকে ডিজিটর আপনার সাইটে আনতে পারবেন না সেই জন্য আপনাকে ওয়েবসাইট তৈরি করার পরে প্রথমেই সাইট টি গুগলে ইন্ডিক্স করতে হবে

এসইও (SEO) করার প্রথম ধাপ সাইট গুগলে ইন্ডিক্স

আপনার সাইট টি তৈরি করার পর প্রথমে গুগল ওয়েবমাস্টার গুগলে কন্সলে এড করুন তারপর দেখবেন ২৪ ঘন্টার ভিতরে আপনার সাইট টি গুগলে শো করতেছে শুধু মাত্র এড করলেন তাতে হবে না আপনাকে আরো অনেক কাজ করতে হবে যে কাজ গুলি করলে গুগল থেকে ভিসিটর আসবে আপনার সাইটে

এর পর আপনাকে এসইও ফিন্ডেলি আর্টিকেল প্রকাশ করতে হবে ওয়েবসাইটে এর জন্য আপনাকে বিভিন্ন বিষয় এর উপর ভাবতে হবে এবং গুগলে এটা নিয়ে রিচার্স করতে হবে কি ধরনের আর্টিকেল মানুষ পছন্দ করে থাকে আপনি যদি এমনি আন ক্যাটাগরি টপিক এর উপর আর্টিকেল লিখে সাইটে পাবলিস করেন তাহলে আপনার গুগল থেকে কোনো ডিজিটর আসবে না

প্রথমে রিচার্স করুন বর্তমানে মানুষ এর কোন বিষয়ের উপর আগ্রহ বেশি কোন টপিক মানষ বেশি সার্চ করে থাকে গুগলে

ওয়েবসাইটের জন্য আর্টিকেল বড় করে লিখলে উপকারিতা কি?

অনেকেই আছে যারা তাদের ওয়েবসাইটে ছোট ছোট আর্টিকেল পাবলিস করে থাকে এটা করলে আপনি গুগল থেকে খুব বেশি ভিসিটর পাবেন না কারন আপনি যে টপিক টি নিয়ে আর্টিকেল লিখলেন এই টপিক এর উপর অন্য কেউ যদি পোষ্ট করে থাকে তাহলে তার টা আগে শো করবে

আপনির আর্টিকেল টি যদি বড় এবং বিস্তারিত ভাবে লিখে পাবলিস করেন তাহলে গুগল আপনার সাইট টি তাদের সার্চ রেজাল্টে প্রথমে শো করাবে

কিওয়ার্ড এসইও (SEO) কি?

আমাদের সবার দক্ষতা কিন্তু এক না সবার বিভিন্ন কাজের উপর দক্ষতা থাকে তেমনি আর্টিকেল লিখার ক্ষেতে কিন্তু দক্ষতা দরকার আপনি যে বিষয়টির উপরে যানেন সেই বিষয়টি নিয়ে রিচার্স করুন তারলে আপনার আর্টিকেল টি সুন্দর কোয়ালেটি ও এসইও কোয়ালেটি হবে এতে করে আপনার আর্টিকেল টি খুব সহজেই গুগলে রেংক করবে সবসময় চেস্টা করবেন সত্য টি তুলে ধরার জন্য যাতে মানুষ উপকৃত হয়

অফ পেজ এসইও (SEO) কাকে বলে?

আমরা আমাদের ওয়েবসাইটের ভিতরে যা যা করে তাকে বলে অন পেজ এসইও এবং আমরা আমাদের ওয়েবসাইটের বাহিরে যে কাজ গুলি করবো এই গুলকে বলা হবে অফ পেজ এসইও! এখন বলতে পারেন এই অফ পেজ এসইও করে উপকারিতা কি? আপনি যদি এটি করেন তাহলে আপনার ওয়েবসাইট গুগলে প্রথম পেজে খুব তারাতারি রেংক করবে বর্তমানে এই অফ পেজ এসইও ছারা গুগল এর প্রথম পেজে আনা খুবি মুশকিল এর ব্যাপার সেই জন্য আমাদের এই অফ পেজ এর কাজ গুলি করা উচিত

আপনি যদি শুধু মাত্র অন পেজ এসইও করেন এবং ভালো ভালো আর্টিকেল পাবলিস করেন তাও কিন্তু আপনার সাইটে গুগল এর প্রথম রেংকে আনতে পারবেন মানুষ ২টি উপকারিতার জন্য অফ পেজ এসইও এর কাজ করে থাকে প্রথম টি হলো সাইট গুগলে ভালোভাবে রেংক করানোর জন্য আরেকটি হলো ভিসিটর আনার জন্য এটির ও বিস্তারিতো বলতেছি

অফ পেজ এসইও (SEO) ২ প্রকার

অন্যের ওয়েবসাইট থেকে ডিজিটর আনার জন্য ব্যাকলিং করে থাকে অন্য একটি ওয়েবসাইট থেকে আপনি ব্যাকলিং নিতে পারবেন এর জন্য সেই ওয়েবসাইট টি যেনো আপনার ওয়েবসাইটের আর্টিকেল ক্যাটাগরিতে যেনো মিলে আপনার যদি টেক রিলেটিড ওয়েবসাইট হয়ে থাকে তাহলে আপনাকে এই টেক রিলেটিড ওয়েবসাইট থেকেই ব্যাকলিং কালেক্ট করতে হবে ব্যাকলিং ২প্রকার

1. Dofollow Backlink

বেশির ভাগ সময় মানুষ এটি নিয়ে থাকে এটি নিবেন কিভাবে? অনেক ওয়েবসাইটে দেখবেন গেষ্ট পোষ্ট করার শুজুক থাকে আপনি সেখানে পোষ্ট লিখে পোষ্টের যে কোনো যাই গাই আপনার ওয়েবসাইটের সাথে মিলে এমন একটি লিং এখানে দিয়ে দিন তাহলে আপনার একটি ব্যাকলিং তৈরি করা হয়ে যাবে

অথবা অন্য কারো দ্বারাও করাতে পারবেন তাহলে কাজটি করলে আপনি যে আর্টিকেল টি পাবলিস করলেন অন্যের ওয়েবসাইটে সেটি মানুষ পরার পর আপনার লিংকে ক্লিক করবে এতে করে আপনার ওয়েবসাইটে ডিজিটর আসবে তবে আপনি যে সাইট থেকে ব্যাকলিং নিতে চাচ্ছেন সেই ওয়েবসাইটের আগে স্পাম সোর্স চেক করে নিন যধি ১% এর বেশি থাকে তাহলে সেই ওয়েবসাইট থেকে ব্যাকলিং না নেয়াই ভলো এতে করে আপনার ওয়েবসাইটের রেংক কমে যাবে

2. Nofollow Backlink
এটি থেকেই আপনার ওয়েবসাইটে ভিসিটর যাবে কিন্তু এটার জন্য খুব ভালো রেংক পাবেন না আপনি যদি অন্য কারো ওয়েবসাইটের কমেন্ট বক্সে আপনার সাইটের লিংক দেন তাহলে সেটি Nofollow হবে এবং অনেক ওয়েবষাইট আছে যারা শুধু মাত্র এই নোফলো ব্যাকলিং দেই যেমন ফেসবুক টুইটার আরো অনেক সাইট

বোঝার উপাই কি? আপনি যে লিংক টি দিবেন সেটি ক্লিক করলে যদি এক্সট্রা কোনো লিংক যোগ হয়ে তারপর আপনার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে তাহলে বুজে নিবেন এটি Nofollow ব্যাকলিং

যদি কোনো কিছু বুজতে সমষ্যা হয় তাহলে কমেন্ট করে যানিয়ে দিন ভালো লাগলে শেয়ার করুন ধন্যবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button